Unintended consequence?

Posted in politics by jrahman on May 23, 2011

When the Awami League government jailed Mahmudur Rahman and Shamsher Mobin Choudhury, I wrote that the consequences would be what the government  couldn’t have intended.  Now that the government Maj Gen (ret) Tarique Ahmed Siddique has named implied Prothom Alo editor Matiur Rahman as a suspect in the 2004 assassination attempt on the current prime minister, could we say something similar?

Let’s think this through. 

That there was a major assassination attempt on the Awami League chief on 21 August 2004 is beyond dispute.  That the then government of Khaleda Zia tried to quash the investigation process is also widely accepted.  This attempt to cover up leads many to wonder whether high ups in the then government were involved in the assassination attempt.  In fact, it’s generally believed among the Awami League supporters that Tarique Rahman — the then prime minister’s son, and a key behind-the-scene decisionmaker in that government — was involved.  And Daily Star — Prothom Alo‘s sister publication — contributed to this suspicion in the past.  And even in today’s Prothom Alo, there is a report pointing the finger to Haris Chowdhury, a key figure in the BNP government. 

If there is any truth in this suspicion, it would be significantly damaging to Tarique’s political future.  If Tarique is indeed guilty of plotting the assassination of Sheikh Hasina, that would put him in the category of Khondoker Mushtaque Ahmed.  Forget about any highfalutin concept like justice, from pure realpolitik perspective, surely it would be a no-brainer for Awami League to pin Tarique for 21 August. 

Much more than any corruption allegation or attempts to rig the election — accusations that can be made against the current government as well — if Tarique can be reasonably linked with the 21 August massacre, that would make it extremely difficult for the country’s oligarchy (the so-called civil society, corporate houses, civil-military bureaucracy) to support BNP in the next election. 

But what happens if the net is widened to include Matiur Rahman? 

If one of them is guilty but the other is not, then by implicating an innocent, the government creates an alibi for the guilty.  If they are both guilty, then they can point the finger to each other, create enough confusion in the court of public opinion (the only court that really counts — the actual courts in Bangladesh will do whatever the government wants, just ask Dr Yunus).  Alternatively, if both are guilty, they can join in an anti-AL alliance — that can’t be something AL intends.  And if they are both innocent, then it is quite likely that they will bury their past animosity for the sake of survival.  Again, not something AL can possibly want.

All this, incidentally after AL has alienated a lot of its well wishers by pursuing a vendetta on Yunus. 

Assuming innocence until proven guilty, I cannot imagine a better way of ensuring a civil society – BNP rapprochement than jointly targetting Tarique Rahman and Matiur Rahman for 21 August attack.  Either the people advising the Prime Minister are extremely clever, or this is the most suicidal government in our history.


6 Responses

Subscribe to comments with RSS.

  1. Udayan said, on May 24, 2011 at 1:39 am

    I would say suicidal, and it’s a tragedy. I say that not through mourning the demise of a partisan preference, because of the scale of the mandate they received and how quickly they have squandered it (with presumably more to come) and the huge missed opportunities. (And I look to Mamata and hope the pattern of events are not repeated)

    Reminds me of one of the op-eds when Khaleda Zia was arrested by CTG in the Western press (can’t remember the source) which began something like “rarely in a democracy had a leader received such a massive mandate and lost it so dramatically”.

  2. tacit said, on May 24, 2011 at 10:16 am

    I don’t understand why the AL feels so possessive of RAB. But apparently, they’re going to take ownership of this monstrosity now. To the extent of going to war against DS/PA.

  3. Modon Lal said, on May 24, 2011 at 2:10 pm

    So far there has been 5 years of maximal high intensity highest level government effort to somehow implicate Tareque Rahman to 21st August attack. In this process Tareque Rahman himself has been tortured for months and now crippled, his best friend Mamun has been inhumanly tortured for total of nearly 180 days and still in jail, Mufti Hannan is being remanded for two weeks every month since his arrest 4 years ago, top tier intelligence chiefs are being remanded weekly for days, ex home minister has been tortured for at least 90 total days and still has to visit torture chamber every now and then —– yet there has not been an iota of evidence linking Tarique to 21st August incidence.

    What makes this blogger spend half of this blog on the scenario ” If Tarique is behind 21st August” ?

  4. jrahman said, on May 24, 2011 at 5:27 pm

    Tacit, I think it’s other way around — they have decided to join Bashundhara’s war against DS/PA, and ‘out to destroy RAB’ is a convenient weapon. The question is why? Why go after DS/PA when they have been so good an ally in the war against Tarique.

    Modon Lal, Tarique’s innocence or guilt is not the point of the post. ‘Tarique is innocent and AL is suicidal’ is not an interesting scenario. ‘If Tarique was involved’ or ‘if AL truly believes Tarique was involved’, then the attack on Matiur becomes an interesting enough scenario that warrants analysis.

    Udayan, the mandate received by the AL in 2008 was bigger than what BNP received in 2001 — 49% of the votes vs 41%. Of course, it would be hard to find anyone for whom this applies more than Mujib: “rarely in a democracy had a leader received such a massive mandate and lost it so dramatically”.

  5. tacit said, on May 25, 2011 at 8:24 am

    গোপন মিশনে যুক্তরাষ্ট্রে মতিউর রহমান

    প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। ২৩ মে তিনি নিউইয়র্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি যান। এর আগে নিউইয়র্কে কয়েক দিন কাটান তিনি। ওয়াশিংটনে মতিউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেইকের সঙ্গে দেখা করেন। স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আড়াইটার দিকে) এ সাক্ষাৎ হয়। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র বিষয়টি বার্তা সংস্থা বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছে। জঙ্গিসম্পৃক্ততা নিয়ে দেশে সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য তুলে ধরার পর মতিউর রহমানের এ সফরকে একটি গোপন মিশন বলেই উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্লেইকের সঙ্গে আলোচনায় মতিউর রহমান তাকে হয়রানির বিষয়টি ছাড়াও শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও পক্ষপাতমূলক পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। তবে ব্লেইকের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি স্টেট ডিপার্টমেন্ট নিয়মিত সূচিতে রাখলেও একে গণমাধ্যমের জন্য ‘ক্লোজড ডোর কাভারেজ’ হিসেবে উল্লেখ করে। অর্থাৎ এ সাক্ষাতের সময় তো নয়ই, পরেও স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে কিছু জানাবে না। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ব্লেইক ঢাকা সফরে এসে গ্রামীণ ব্যাংকের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে সাফাই গেয়ে বাংলাদেশ সরকারকে বলেন, ইউনূসের সঙ্গে সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রভাবিত হবে। এ সময় বেশি বয়সের কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ইউনূসকে অপসারণের পর তার পক্ষে সাফাই গাইতে মতিউর রহমান ও তার পত্রিকার ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার যুক্তরাষ্ট্র সফরের এই সময়টিতে মতিউর রহমানের সেদেশে সফরের মধ্যে কিছু যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি মতিউর রহমানের সঙ্গে রবার্ট ব্লেইকের সাক্ষাতের রেশ কাটতে না কাটতে এবার তার (রবার্ট ব্লেইক) সাক্ষাৎপ্রার্থী বেগম খালেদা জিয়া। আগামীকাল এ সাক্ষাৎ হওয়ার কথা। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা, সাবেক কূটনীতিক ও খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী শমসের মুবিন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনিও তা সরাসরি নাকচ করে দেননি। প্রসঙ্গত, বিগত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে রাজনীতি থেকে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বিতাড়িত করতে প্রবর্তিত ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন মতিউর রহমান। ওয়ান-ইলেভেনের সময় মতিউর রহমানের এই ভূমিকা নিয়ে বিএনপির মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমান এ নিয়ে ক্ষুব্ধ রয়েছেন। তবে দেশে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মতিউর রহমান বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি এবারের সফরেও কোনো একটি উদ্যোগ নিতে পারেন এমনটাই ভাবা হচ্ছে। সেখানে অবস্থানকালে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ফখরুদ্দীন ও বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে তার বিশেষ বৈঠকের কথা রয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে মতিউর রহমান সেন্ট লুইসে গেছেন। যুক্তরাষ্ট্র সফর করলে প্রতিবারই তিনি সেন্ট লুইসে তার বোনের সঙ্গে দেখা করেন। এর আগে ১৩ জুলাই ৫টা ৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। তাকে বহনকারী ঢাকা-কুয়েত-নিউইয়র্ক ফ্লাইটের নম্বর ছিল কে ইউ ২৮৪। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম।

  6. All about Citizen Mati « Mukti said, on January 7, 2013 at 11:31 am

    […] ulterior motive.  But what is it exactly.  Why, of course he is a Pakistani agent who tried to kill Hasina Wajed in 2004, except he is also the second line of Indian aggression. Wait, it’s not India or Pakistan, […]

Comments are closed.

%d bloggers like this: